1. admin@dailygoraishobvotha.com : dailygorai : Salim Takku
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট করোনায় আক্রান্ত- গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়ায় শশুর বাড়িতে জামাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু !-গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়ায় বিধান হত্যায় জড়িতদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন- গড়াই সভ্যতা আহত হনুমান কে উদ্ধার করলো বিবিসিএফ কুষ্টিয়া টিম- গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় গোরস্থান মাদ্রাসায় ছাত্র ও শিক্ষকদের ইউনিফর্ম বিতরণ- গড়াই সভ্যতা ক্লুলেস হত্যার রহস্য উদঘাটন করলো কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট, আটক ৩- গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের নতুন সাইবার ক্রাইম ইউনিট চালু- গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়া কুমারখালীতে লস্কর গ্রুপ ও মন্ডল গ্রুপের সংঘর্ষ নিহত ১ আহত ১০-গড়াই সভ্যতা দুই এসআই নিহত: গাড়ি চালাচ্ছিলেন আসামি-গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন ১ জনার আমৃত্যু কারাদন্ড- গড়াই সভ্যতা

কুষ্টিয়ায় ইউপি নির্বাচনে পরাজয়ে একে অপরকে দায়ী করে আ’লীগ নেতাদের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন- গড়াই সভ্যতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩০ বার পঠিত

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সদ্য অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রার্থীর পরাজয়ের কারণ হিসাবে একে অপরকে দায়ী করে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমারখালী উপজেলার পান্টি বাজারে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে পন্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ দাবি করেন আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে এক নেতা বিদ্রোহী প্রার্থীকে নির্বাচনে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার কারণেই এখানে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর পরাজয় ঘটেছে। ফলাফল বিশ্লেষণ করে বলা হয় এখানে মাত্র ৬১১ ভোটের ব্যবধানে নৌকার প্রার্থী কামরুজ্জামান মান্নান মোল্লা স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি’র হাফিজুর রহমান হাফিজের কাছে পরাজিত হয়েছেন। হাফিজ পেয়েছেন ৮৪০৯ ভোট। নৌকার প্রার্থী পেয়েছেন ৭৮৯৮ ভোট। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদ হোসেন মোল্লা পেয়েছেন ১৬৫৩ ভোট। বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে মাসুদ হোসেন মোল্লাকে না দাঁড় করালে এখানে নিশ্চিত নৌকার প্রার্থী বিজয় হতেন। সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচ এম আব্দুল্লাহ ওরফে টিপু মিয়াসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পান্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামিউর রহমান সুমন বলেন, গত ২৬ শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ২৮ ডিসেম্বর নৌকা মার্কার প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে জড়িয়ে যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নৌকার পক্ষে ভোট করেছে তার যথেষ্ট প্রমাণ আছে। বিগত জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে সেটা প্রমাণিত হবে।
লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে নৌকার পরাজয়ের অন্যতম কারিগর ও সম্পূর্ণরূপে দায়ী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহিদ হোসেন জাফর। নৌকার বিরুদ্ধে তাঁর ভাগিনা মো.মাসুদ হোসেন মঞ্জু ওরফে মাসুদ মোল্লাকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়ে দেয়ার কারণেই এখানে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পরাজয় ঘটেছে। নির্বাচনে নৌকাকে পরাজিত করতে সরাসরি ভূমিকা রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদ হোসেন জাফর।’ অতীতে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করায় জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি জাহিদ হোসেন জাফরকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। গেল উপজেলা নির্বাচনেও নৌকার বিপক্ষে তাঁর আপন ছোট ভাইকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। জাহিদ হোসেন জাফর, কামরুজ্জামান মান্নান মোল্লা ও মাসুদ হোসেন মোল্লা গত তিন বছর একই সাথে সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। গত চার বার পান্টিতে আওয়ামী লীগের পরাজয়ের মূল নায়ক হিসেবে জাহিদ হোসেন জাফরকে দায়ী করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচ এম আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ দলীয় অভ্যন্তরীন কোন্দল ও জাহিদ হোসেন জাফর বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে তার নিকট আত্মীয় মাসুদ হোসেন মঞ্জুকে দাঁড় করিয়ে দেয়ার কারণেই এখানে নৌকার প্রার্থীর পরাজয় ঘটেছে। জাহিদ হোসেন জাফর নিজেই নৌকার প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা করেছেন। নির্বাচনী কোন কর্মকাণ্ডে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে রাখা হয়নি। তবুও দলের স্বার্থে তারা নৌকা প্রার্থীর পক্ষে ভোট করেছেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের জৈষ্ঠ্য সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহিদ হোসেন জাফর বলেন, নির্বাচনে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর জন্যই এবারো নৌকার প্রার্থীর পরাজয় হয়েছে আমি তা স্বীকার করছি। কিন্তু বিদ্রোহী প্রার্থীকে আমি দাঁড় করিয়েছি এ অভিযোগ সত্য নয়।’
বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদ হোসেন মঞ্জু বলেন, ‘ জাফর সাহেব আমার চাচাতো মামা। আমার রাজনৈতিক উপদেষ্টা। আমার রাজনৈতিক পদ পদবী তিনিই দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশেই বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছি। এবং অতীতের নির্বাচনেও তাঁর নির্দেশনায় বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পরাজিত হয়েছি।’
এর আগে গত মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য দায়ী করে সংবাদ সম্মেলন করেন নৌকার পরাজিত প্রার্থী কামরুজ্জামান মান্নান মোল্লা। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ষড়যন্ত্রের ফলেই ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রার্থীর পরাজয় হয়েছে।

আল মামুন সাগর
কুষ্টিয়া

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 daily gorai
Theme Customized BY LatestNews