1. admin@dailygoraishobvotha.com : dailygorai : Salim Takku
শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যেভাবে মাদক ব্যবসাহী থেকে পাটিকাবাড়ি ইউপি’ চেয়ারম্যান সফর আলী- গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়া পাটিকাবাড়ি ইউপি’ চেয়ারম্যানের মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল- গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়া মহিলাদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত-গড়াই সভ্যতা উৎসবমুখর পরিবেশে ১৪ ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন- গড়াই সভ্যতা ঝিনাইদহে হিজড়া প্রার্থীর কাছে নৌকার ভরাডুবি- গড়াই সভ্যতা ঘরে বসে ৩০টি দেশে মোস্তাকিমের তথ্যপ্রযুক্তি সেবা- গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদী থেকে অর্ধগলিত অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার-গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে পুলিশ নিরপেক্ষ ভাবে দায়িত্ব পালন করবে ..এসপি- গড়া ই সভ্যতা করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনকে ‘উদ্বেগজনক’ বললেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা- গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়া সদরের ১১ টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আগামী ৫ জানুয়ারী- গড়াই সভ্যতা

যেভাবে ইকবাল কে ধরলেন তিন গোয়েন্দা- গড়াই সভ্যতা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৮৮ বার পঠিত

পরীক্ষা শেষে কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়েছিলেন ৩ বন্ধু। বিচে ঘুরতে ঘুরতেই এক পর্যায়ে তারা ইকবালকে দেখেন। ১ম দিন সাধারণ ট্যুরিস্ট মনে করে পাত্তা না দিলেও পরের দিন সন্দেহ হওয়ায় পুলিশে ফোন দেন তারা। পরে পুলিশের তৎপরতায় যিনি ধরা পড়লেন তিনি কুমিল্লার নানুয়ার দিঘী মন্দিরে পবিত্র কোরআন রেখে আসা ইকবাল! যাকে পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজছিলো গত সাতদিন ধরে।

নোয়াখালীর চৌমুহনী এস এ কলেজের ৩ ছাত্র সম্প্রতি অনার্স পরীক্ষা শেষে ঘুরতে গিয়েছিলেন কক্সবাজারে। কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্টে ঘুরতে এসে তারা খেয়াল করলেন একজন উদ্ভ্রান্তের ঘুরছেন। প্রথম দিন সাধারণ ট্যুরিস্ট বা ভবঘুরে ভেবে পাত্তা দেননি তারা। কিন্তু পরেরদিনও একই জায়গায় ওই ব্যক্তিকে এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি দেখে সন্দেহ হওয়ায় তারা ফোন দেন স্থানীয় পুলিশকে।

ওই ৩ ছাত্রের ফোন পেয়ে নোয়াখালীর এএসপি পুরো বিষয়টি কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে জানিয়ে বলেন, কয়েকজন ছেলে আমাকে জানালো যে তারা ইকবালকে দেখেছে, তবে ছেলেগুলো নিশ্চিত না যে এটাই ইকবাল কিনা। তবে ছেলেরা বলেছে যে, গণমাধ্যমে আসা ছবির সাথে এই ব্যক্তির চেহারার মিল আছে। কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, নোয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার তাকে. জানান সমুদ্র সৈকত থেকে তাকে ফোন করে বলা হয়েছে ইকবালের মতো একজনকে দেখা যাচ্ছে। ইমিডিয়েট স্টেপ হিসেবে যারা ফোন করেছিলো তাদেরকে আমরা পুলিশ না পৌঁছানো পর্যন্ত ওই ব্যক্তিকে নজরদারিতে রাখতে বলি। পরে কক্সবাজার জেলার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ইকবালকে আটক করে।

পুলিশ বলছে, পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনার একদিন পরই এর সাথে কে জড়িত তা জানতে পেরেছিল পুলিশ। এরপর শুরু হয় খোঁজ। কিন্তু কিছুতেই পাওয়া যাচ্ছিল না ইকবালকে। এমনকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও বলেন যে, আমাদের সন্দেহভাজন ব্যক্তি মোবাইল ফোন ব্যবহার করে না, এজন্যই তাকে ধরতে সময় লাগছে।

ইকবালকে ধরার অভিযানে যেসব পুলিশ সদস্য ছিলেন তারা জানান, কক্সবাজার থেকে গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত ছোট ছোট দলে পুলিশ ৩৫ থেকে ৪০ টি অভিযান চালিয়েছে, কিন্তু ইকবালকে ধরা যায়নি।

এ ঘটনার তদন্তে কুমিল্লা জেলা পুলিশ থেকে শুরু করে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ), কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) যুক্ত ছিল। এ দলের অন্যতম সদস্য এটিইউ এর পুলিশ সুপার মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, ১৩ অক্টোবর ঘটনা ঘটার পর এটিইউ এর ১৫ জনের একটি দল কুমিল্লায় যায়। ১৪ অক্টোবর মধ্যরাতে তারা ইকবালকে শনাক্ত করেন। তবে জানা গেছে যে, ঘটনার পরও ইকবাল বেশ কয়েকদিন কুমিল্লায়ই ছিলেন। ইকবাল কক্সবাজারে কবে কীভাবে গেলেন তা পুলিশ এখনও নিশ্চিত নয়।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কুমিল্লা পুলিশ ইকবালকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 daily gorai
Theme Customized BY LatestNews