1. admin@dailygoraishobvotha.com : dailygorai : Salim Takku
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০১:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট করোনায় আক্রান্ত- গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়ায় শশুর বাড়িতে জামাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু !-গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়ায় বিধান হত্যায় জড়িতদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন- গড়াই সভ্যতা আহত হনুমান কে উদ্ধার করলো বিবিসিএফ কুষ্টিয়া টিম- গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় গোরস্থান মাদ্রাসায় ছাত্র ও শিক্ষকদের ইউনিফর্ম বিতরণ- গড়াই সভ্যতা ক্লুলেস হত্যার রহস্য উদঘাটন করলো কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট, আটক ৩- গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের নতুন সাইবার ক্রাইম ইউনিট চালু- গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়া কুমারখালীতে লস্কর গ্রুপ ও মন্ডল গ্রুপের সংঘর্ষ নিহত ১ আহত ১০-গড়াই সভ্যতা দুই এসআই নিহত: গাড়ি চালাচ্ছিলেন আসামি-গড়াই সভ্যতা কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন ১ জনার আমৃত্যু কারাদন্ড- গড়াই সভ্যতা

সিলেটে ছোটমণি নিবাসে দুই মাসের শিশু হত্যা, আয়া আটক- গড়াই সভ্যতা

মারুফ হোসেন সিলেটঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৩ আগস্ট, ২০২১
  • ১০০ বার পঠিত

সিলেটে সমাজসেবা অধিদফতরের ছোটমণি নিবাসে মাত্র দুইমাস বয়সী শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই নাবিল আহমেদ নামের ওই শিশুটিকে প্রথমে আছাড় মেরে ও পরে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার প্রায় ২০ দিন পর রহস্য উদঘাটন করেছে সিলেট মহানগর পুলিশ। মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি জানান, এ ঘটনায় ছোটমণি নিবাসের আয়া সুলতানা ফেরদৌসী সিদ্দিকাকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে সিসিটিভির ফুটেজ।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) রাতে কোতোয়ালি মডেল থানা পরিদর্শনে গেলে ছোটমণি নিবাসে একটি শিশুর অপমৃত্যু মামলাটি চোখে পড়ে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত-কর্মকর্তাসহ পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বাগবাড়ি এলাকার শিশু নিবাসে যাওয়া হয়। সেখানে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে হত্যার বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে ঘটনায় জড়িত আয়াকে আটক করা হয়।

সিসিটিভির ফুটেজ থেকে জানা যায়, গত ২২ জুলাই দিবাগত রাত ১২টার দিকে ছোটমণি নিবাসে দুইমাস ১১ দিন বয়সী শিশু নাবিল আহমদ কান্না করতে থাকলে ক্ষিপ্ত হন শিশুটির দেখাশুনার দায়িত্বে থাকা আয়া সুলতানা ফেরদৌসী সিদ্দিকা। একপর্যায়ে তিনি শিশুটিকে সজোরে বিছানায় আছাড় দেন। বিছানার স্টিলের রেলিঙয়ে আঘাত পেয়ে মাটিতে পড়ে যায় শিশুটি। এরপরও থামেনি নির্যাতন। শিশুটির মুখে বালিশ চাপা দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন সুলতানা।

পুলিশ জানায়, শিশুটিকে হত্যার পর প্রমাণ মুছে ফেলার চেষ্টা করেন সুলতানা এবং ছোটমণি নিবাসের অন্য কর্মকর্তারা। গত ২৪ জুলাই কোতোয়ালি মডেল থানায় ছোটমণি নিবাসের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে শিশু নাবিলকে দাফন করা হয়। মামলা তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুব। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্টদের অসহযোগিতার কারণে ঘটনার কূল-কিনারা করতে পারিনি। ঘটনার ২০ দিনেও মুখ খোলেননি নিবাসের দায়িত্বে থাকা ঊর্ধ্বতন কর্মকতা, আয়া বা অন্য কেউ।

সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আবু ফরহাদ বলেন, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে আয়া সুলতানা ফেরদৌসী সিদ্দিকা প্রথমে হত্যার কথা অস্বীকার করলেও পরে সিসিটিভির ফুটেজ দেখানো হলে তিনি চুপ হয়ে যান। তার বিরুদ্ধে মামলা হবে বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 daily gorai
Theme Customized BY LatestNews