1. admin@dailygoraishobvotha.com : admin : salim takku
  2. takku.kst@gmail.com : salim takku : salim takku
শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন

জেলহত্যা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও জাতীয় চারনেতার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করলো বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ

তুহিন
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ৭১ বার পঠিত

শোকাবহ জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ এর পক্ষ থেকে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাহুল চৌধুরী শামীম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাকিল আহমেদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ নুর আলমের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১ টায় ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে এবং বেলা সাড়ে ১২ টায় বনানী কবরস্থানে জাতীয় চারনেতার সমাধিতে দলের নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর চারনেতার সমাধিস্থলে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি রাহুল চৌধুরী শামীম তার বক্তব্যে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায় শোকাবহ এই দিন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করার আড়াই মাসের মাথায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন অবঃ এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান কে নৃশংসভাবে হত্যা করে। জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা ও জাতীয় চার নেতার হত্যাকান্ড ছিল একই ষড়যন্ত্রকারী অপশক্তির ঘৃণ্য অপকর্মের ধারাবাহিকতা। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে ষড়যন্ত্রকারীরা জাতীয় চার নেতাকে তাদের সরকারের যোগদানের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় নেতৃবৃন্দ সেই প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন। এ কারণে তাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাকিল আহমেদ বলেন, ইতিহাসের এই বর্বরোচিত ন্যাক্কারজনক হত্যার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ ২১ বছর বন্ধ রাখা হয়৷ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ১৯৯৬ সালে জেলহত্যা মামলা পুনরুজ্জীবিত করে৷ অতঃপর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। উক্ত রায়ে ২০ জন আসামীর মধ্যে ১৫ সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে শাস্তি ও ৫ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। তন্মধ্যে ৩ জনের মৃত্যুদন্ড ও ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ২০০৮ সালের ২৮ আগস্ট হাইকোর্টের রায়ে কেবল রিসালদার মোসলেম উদ্দিনের মৃত্যুদন্ড বহাল রেখে বাকী ২ জনকে খালাস এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ জনের মধ্য থেকে চার আসামীকে খালাস প্রদান করা হয়। ইতিহাসের ঘৃণ্যতম বর্বরোচিত এই হত্যাকান্ডের মাধ্যমে স্বাধীনতার পরাজিত অপশক্তি, দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রকারী চক্র মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নাম চিরতরে মুছে ফেলে জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার জাতির পিতার হত্যাকারী ও জাতীয় চার নেতা হত্যাকারীর বিচার কাজ সম্পন্ন করে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছে৷ এখন সময় এসেছে এই হত্যা ষড়যন্ত্রের পিছনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যারা জড়িত ছিল তাদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷ এসময় শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ এর সহ-সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম তৈয়ব আলী, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ তুহিন হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক কানন রুদ্র বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল বিন খলিল সবুজ, পাবনা জেলা শাখার উপদেষ্টা ইঞ্জিঃ নুর মোহাম্মদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সাধারণ সম্পাদক পারভিন আক্তার পারুল, ডেমরা থানা সভাপতি দীন ইসলাম বাবু, বাড্ডা থানা সহ-সভাপতি শাকিল আহমেদ মুন (শাকি) সহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2020 Daily Gorai
Theme Customized BY Mustakim Jony